বন্যায় কাজিরাঙ্গা: ক্যামেরায় ধরা জলছবি
কাজিরাঙ্গা জাতীয় উদ্যানে বর্ষাকালে ব্রহ্মপুত্র নদ ও আশপাশের জলাধারের জল বেড়ে গেলে প্রতিবছরই বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এই সময়টা বন্যপ্রাণীদের জন্য বেশ কঠিন।
গণ্ডার, হাতি, হরিণসহ বহু প্রাণী উঁচু জমি বা Highland-এর দিকে আশ্রয় নেয়।
অনেক প্রাণী নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে জাতীয় উদ্যানের বাইরে বা কার্বি আংলং পাহাড়ি এলাকায় চলে যায়।
বন্যার স্রোতে শাবক ও দুর্বল প্রাণীদের ডুবে যাওয়ার ঝুঁকি তো থাকেই।
অন্যদিকে, এই বার্ষিক বন্যা কাজিরাঙ্গার বাস্তুতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ—বন্যার জল ঘাসভূমি ও জলাভূমিকে পুনরুজ্জীবিত করে এবং দীর্ঘমেয়াদে বন্যপ্রাণীদের আবাসস্থলকে সমৃদ্ধ করে।
অর্থাৎ, বন্যা একদিকে বন্যপ্রাণীদের জন্য যেমন বিপদ সৃষ্টি করে, অন্যদিকে কাজিরাঙ্গার প্রাকৃতিক পরিবেশ টিকিয়ে রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে এর।
বর্ষায় কাজিরাঙ্গার বন্যার এই জলছবি ধরা ছিল বিশিষ্ট বন্যপ্রাণী চিত্রগ্রাহক শ্রী রাজর্ষি ব্যানার্জীর ক্যামেরায়। তা ভাগ করে নিলেন বনেপাহাড়ের পাঠকদের জন্য।









বনেপাহাড়ে পত্রিকায় প্রকাশিত রাজর্ষি ব্যানার্জীর অন্য ফটো-সিরিজ: বতসোয়ানায় ওকাভাঙ্গোর বন্য রূপ
রাজর্ষি ব্যানার্জী পেশায় চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট, উদ্যোগপতি ও বিশিষ্ট ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফার। গত ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অ্যান্টার্কটিকা, দক্ষিণ আফ্রিকা, ব্রাজিল, বতসোয়ানা, কেনিয়া, তানজানিয়া, নরওয়ে, নামিবিয়া, শ্রীলঙ্কা, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, আলাস্কা, আর্কটিক সার্কেল এবং চিলিতে বন্যপ্রাণীর ছবি তুলেছেন।গত ২০ বছরে রাজর্ষির তোলা ছবি অসংখ্য আন্তর্জাতিক পুরস্কার অর্জন করেছে। রাজর্ষি কাজিরাঙা জাতীয় উদ্যানের উপর একটি অনন্য Coffee Table Book রচনা করেছেন। বইটি অসম সরকারের বন দফতর থেকে প্রকাশিত হয়েছে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকার বইটিকে Library of Congress-এ সংরক্ষণের জন্য অন্তর্ভুক্ত করেছে।






