top of page
KANHA MAY 26.jpg

মধ্য ভারতের বিরল বারাশিঙ্গা হরিণ পেল দ্বিতীয় ঘর

  • ..
  • May 2
  • 5 min read

বারাশিঙ্গা হরিণের যে উপপ্রজাতিটি মধ্য ভারতে পাওয়া যায় তাদের অস্তিত্ব সংকটের মুখে। একমাত্র কানহা টাইগার রিজার্ভেই তারা টিকে আছে প্রাকৃতিক পরিবেশে। কিন্তু এবার তাদের এই সংকট থেকে উদ্ধার করার জন্য তাদের জন্য তৈরি হল নতুন আবাস। মধ্যপ্রদেশেরই নর্মদাপুরম জেলার সাতপুরা টাইগার রিজার্ভে। কিভাবে সম্ভব হল এই বিরাট কর্মযজ্ঞ? লিখছেন স্নেহা মাহালে


কানহায় একটি বারাশিঙ্গা পরিবার
কানহায় একটি বারাশিঙ্গা পরিবার

মধ্যপ্রদেশের অরণ্যে গবেষণায় উঠে এল দারুণ এক তথ্য। কানহা টাইগার রিজার্ভ থেকে সাতপুরা টাইগার রিজার্ভে স্থানান্তরিত হার্ড-গ্রাউন্ড সোয়াম্প ডিয়ার বা বারাশিঙ্গার সংখ্যা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। তারা সফলভাবে প্রজননও করছে। একসময় সমগ্র মধ্য ভারতে বিস্তৃত বারাশিঙ্গার এই উপপ্রজাতিটি এখন মাত্র একটি অঞ্চলে টিকে আছে, ফলে বিলুপ্তির ঝুঁকি কমাতে দ্বিতীয় আরো একটি জায়গায় তাদের সংখ্যা বাড়ানোর এই প্রচেষ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

হার্ড-গ্রাউন্ড সোয়াম্প ডিয়ার (Swamp Deer; Rucervus duvaucelii branderi) একসময় ভারতের বিভিন্ন স্থানে অনেক দেখা যেত, কিন্তু বর্তমানে এটি স্বাভাবিকভাবে কেবল কানহার অরণ্যেই টিকে আছে। International Union for Conservation of Nature-এর রেড লিস্ট অনুযায়ী, এই উপপ্রজাতিটি “Vulnerable” বা ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে শ্রেণিভুক্ত এবং এটি ভারতের Wildlife Protection Act 1972-এর Schedule I-এর অন্তর্ভুক্ত।

দীর্ঘদিন ধরে প্রাকৃতিক বাসস্থান ধ্বংস হয়ে যাওয়া, তৃণভূমিগুলির নষ্ট হয়ে যাওয়া এবং ব্যাপক শিকারের কারণে এই উপপ্রজাতির সংখ্যা কমে যায়। বর্তমানে এদের সংখ্যা ১,১০০ র মতো। এই একটিমাত্র ছোট গোষ্ঠী থাকার ফলে রোগের প্রাদুর্ভাব বা অন্যান্য বিপদের মুখে প্রজাতিটি ঝুঁকির মুখে রয়েছে।


গবেষণাটির অন্যতম লেখক এবং International Union for Conservation of Nature-এর Species Survival Commission-এর Deer Specialist Group-এর সদস্য নেহা আওয়াস্থির বক্তব্য- “বারাশিঙ্গার এই পুরো উপপ্রজাতিটি কানহাতেই সীমাবদ্ধ হয়ে যাওয়ায় কার্যত একটি ‘single point of failure’ অবস্থা দাঁড়িয়েছে। ছোট ও বিচ্ছিন্ন গোষ্টীগুলি স্বভাবতই নানা ঝুঁকির মুখে পড়ে। যেমন জনসংখ্যাগত অনিশ্চয়তা বা demographic stochasticity [গড় বৃদ্ধির হারের ওঠানামা], জেনেটিক ড্রিফট এবং ইনব্রিডিং; পাশাপাশি রোগের প্রাদুর্ভাব বা বড় রকমের পরিবেশগত বিপর্যয়ের মতো বিপদও থাকে।”

এই গবেষণাটি Wildlife Institute of India-এর গবেষকরা মধ্যপ্রদেশ বন দপ্তরের সহযোগিতায় সম্পন্ন করেছেন।

কানহা টাইগার রিজার্ভেরও পরিবেশগত সীমাবদ্ধতা রয়েছে—এখানে তৃণভূমির পরিমাণ ও ধারণক্ষমতা (carrying capacity) সীমিত। নেহা আওয়াস্থি আরও বলেন, “নতুন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ার (dispersal) সুযোগ না থাকলে, অতিরিক্ত জনঘনত্ব ওদের সংখ্যা বৃদ্ধিতে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।”

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভারতে বিপন্ন বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও তাদের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য ক্রমশই প্রাণীদের স্থানান্তরের (species translocation)উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। তবে এই ধরনের প্রচেষ্টার সাফল্য দীর্ঘমেয়াদে কতটা প্রভাবশালী, তা মূল্যায়নের জন্য পর্যাপ্ত প্রমাণ এখনও তেমন নেই।




সাতপুরায় দ্বিতীয় একটি দল তৈরি হল


২০১৫ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে মধ্যপ্রদেশ বন দপ্তর কানহা থেকে সাতপুরায় মোট ৯৮টি হার্ড-গ্রাউন্ড সোয়াম্প ডিয়ার (Swamp Deer) বা বারাশিঙ্গাকে সাতটি ধাপে স্থানান্তর করে।

এদের ধরার জন্য ব্যবহার করা হয়েছিল বাঁশ দিয়ে নির্মিত ফানেল-আকৃতির একটি ঘেরা ব্যবস্থা, যাকে ‘বোমা’ (boma) বলা হয়। এই পদ্ধতিতে রাসায়নিক ডার্ট ব্যবহার না করেই নিরাপদভাবে প্রাণীদের নির্দিষ্ট ঘেরের মধ্যে নিয়ে আসা হয় প্রথমে। ধরার পর হরিণগুলোকে বিশেষভাবে বানানো যানবাহনে করে সাতপুরায় নিয়ে যাওয়া হয়।

শুরুর দিকে হরিণগুলিকে টাইগার রিজার্ভের বোরি রেঞ্জে ৫০ হেক্টর আয়তনের একটি ঘেরের মধ্যে ছাড়া হয়েছিল যাতে তারা শিকারি প্রাণীদের থেকে সুরক্ষিত থাকে ও যাতে তারা নতুন পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারে। পরে ধীরে ধীরে তাদের খোলা অরণ্যে ছেড়ে দেওয়া হয়। অধিকাংশ স্থানান্তরই ডিসেম্বর থেকে মার্চের মধ্যে সম্পন্ন হয়, কারণ তখন আবহাওয়া অনুকূল থাকে এবং বনের রাস্তাগুলি চলাচলের জন্য উপযোগী থাকে।

এই নতুন হরিণগুলিকে তিনটি স্থানে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছিল: বোরির সেই ঘেরা এলাকা, বোরির কাছাকাছি খোলা তৃণভূমি এবং চূর্ণা অঞ্চলের মালিনী তৃণভূমি। গবেষকরা হরিণগুলিকে পর্যবেক্ষণ করার জন্য নিয়মিত ঘুরে ঘুরে নজরদারির চালান। বনরক্ষী ও মাঠকর্মীদের দল সারা বছর প্রতিদিন গণনা চালাতেন, সাধারণত ভোরবেলা ও সন্ধ্যায়—যখন প্রাণীগুলি সবচেয়ে সক্রিয় থাকে।


জলের উৎস, তৃণভূমি এবং হরিণদের নিয়মিত জড়ো হওয়ার অন্যান্য স্থানের কাছে পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছিল। দূরবীন (binoculars) এবং স্পটিং স্কোপ ব্যবহার করে বনকর্মীরা প্রাণীর সংখ্যা নথিভুক্ত করতেন এবং তাদের বয়স ও লিঙ্গ অনুযায়ী শ্রেণিবিন্যাস করতেন—যেমন পূর্ণবয়স্ক পুরুষ, পূর্ণবয়স্ক স্ত্রী এবং শাবক (fawn)।

গবেষকরা হরিণগুলির নতুন পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সক্ষমতা বোঝার জন্য তাদের শারীরিক অবস্থারও মূল্যায়ন করেন। এ ক্ষেত্রে লোমের ঔজ্জ্বল্য , পেশির গঠন, দেহভঙ্গি (posture), এবং পাঁজর ও শ্রোণি অস্থি (pelvic bones) কতটা দৃশ্যমান—এসব সূচক হিসাবে ধরা হয়। এই ফলাফলগুলি কানহার বারাশিঙ্গাদের মূল জনসংখ্যার তথ্যের সঙ্গে তুলনা করা হয়।


পড়ুন বারাশিঙ্গা নিয়ে অন্য রচনা: বারাশিঙ্গা-একটি ফিরে আসার কাহিনী


জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও প্রজননে সাফল্য


গবেষণার সময়কালে স্থানান্তরিত প্রাথমিক ৯৮টি প্রাণী থেকে সংখ্যা বেড়ে ২০২৩ সালের মধ্যে মোট ১৭২-এ পৌঁছায়। প্রতি বছরই বনে জন্ম নেওয়া শাবক (fawn) গণনায় নথিভুক্ত হয়েছে, যা ইঙ্গিত করে যে নতুন আবাসস্থলে হরিণগুলো সফলভাবে প্রজনন করছে।

“বিভিন্ন স্বতন্ত্র সূচকগুলি ইঙ্গিত দেয় যে এই হরিণের দলটি শুধু বনবিভাগের ব্যবস্থাপনার সহায়তায় টিকে নেই, বরং ধীরে ধীরে নিজেদর মানিয়ে নিচ্ছে প্রকৃতিতে ”—বলেছেন নেহা আওয়াস্থি। তার মতে- “আমরা নিয়মিতভাবে জনসংখ্যা বৃদ্ধি, নিয়মিত শাবক জন্মের মাধ্যমে নতুন সদস্যের পরিবারে গ্রহণ করা, এবং দলে একটি স্থিতিশীল বয়স-লিঙ্গ অনুপাত লক্ষ্য করেছি—যা একটি ইতিবাচক প্রবণতার প্রতিফলন।”

 সাতপুরার অরণ্য
সাতপুরার অরণ্য


সাতপুরায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রজন্মের শাবকের জন্মও নথিভুক্ত হয়েছে, যা থেকে বোঝা যায় যে হরিণগুলো স্থানীয় ঋতুচক্র ও পরিবেশের সঙ্গে সফলভাবে তাদের প্রজনন চক্রকে মানিয়ে নিতে পেরেছে।

গবেষণার সময়কালে স্থানান্তরিত ও বনে জন্ম নেওয়া—উভয় ধরনের হরিণ মিলিয়ে মোট ২৯টি মৃত্যুর ঘটনা রেকর্ড করা হয়। এর মধ্যে কিছু মৃত্যু চিতাবাঘ, ঢোল (বন্য কুকুর) ও বাঘের হাতে হয়েছে, তবে অধিকাংশই স্বাভাবিক প্রাকৃতিক কারণে হয়েছে। ২০১৯ সালে মৃত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ছিল, যখন অনেক হরিণকে শিকারি-নিরোধক ঘেরা এলাকা থেকে খোলা তৃণভূমিতে ছেড়ে দেওয়া হয়—যেখানে অনেক শিকারি প্রাণী থাকে ।

তবে গবেষকদের মতে, এই ধরনের মৃত্যুহারের হঠাৎ বৃদ্ধি বন্যপ্রাণী স্থানান্তরের ক্ষেত্রে অস্বাভাবিক নয়। নতুন পরিবেশ ও শিকারের চাপের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে গিয়ে প্রথম দিকে এ ধরনের সমস্যা দেখা যায়। নেহা আওয়াস্থি বলেন, “এটি হরিণজাতীয় প্রাণী স্থানান্তর সংক্রান্ত সারা বিশ্বের অভিজ্ঞতার সঙ্গেও মিলে যায়, যেখানে মুক্তির পর প্রাথমিক পর্যায়ে মৃত্যুহার তুলনামূলক বেশি থাকে, পরে তা ধীরে ধীরে স্থিতিশীল হয়ে যায়।”

শারীরিক অবস্থার মূল্যায়নে দেখা গেছে যে নিয়ে আসা হরিণগুলো সাধারণত সুস্থ এবংকানহার মূল জনসংখ্যার প্রাণীদের সঙ্গে তাদের অবস্থা তুলনীয়। এতে বোঝা যায় যে সাতপুরার তৃণভূমি এই প্রজাতির জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য, জল এবং আশ্রয় জোগাতে সক্ষম।

গবেষকরা প্রাণীগুলির মানিয়ে নেবার ক্ষমতাও লক্ষ্য করেছেন। নেহা আওয়াস্থি বলেন, “যদিও এই প্রজাতিটি সাধারণত উন্মুক্ত তৃণভূমির প্রাণী, সাতপুরার এই হরিণের দল পরিবেশের সাথে অভিযোজন করেছে। এখানকার বিচিত্র ভূপ্রকৃতির সাথে মানিয়ে নিয়েছে ছড়িয়ে পড়ার সময়ে।"


সংরক্ষণ এলাকায় অরণ্যের পরিবেশের রক্ষনাবেক্ষণ এই সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। বন দপ্তর তৃণভূমি পুনরুদ্ধার করেছে এবং খাদ্য সরবরাহ বাড়ানোর জন্য ব্ল্যাক স্পিয়ারগ্রাস, ক্যাঙ্গারু ঘাস এবং বন্য আখের মতো গুরুত্বপূর্ণ উদ্ভিদ খাদ্য হিসাবে রোপণ করেছে। একই সঙ্গে ল্যান্টানা (Lantana camara) এবং কংগ্রেস ঘাস (Parthenium hysterophorus)-এর মতো বহিরাগত, ক্ষতিকারক উদ্ভিদ অপসারণ করা হয়েছে, যাতে চারণভূমি সজীব থাকে।


এই পদক্ষেপগুলি প্রকল্পের সাফল্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। নেহা আওয়াস্থি বলেন, “বর্তমানে সাতপুরার তৃণভূমির বড় অংশই গড়ে উঠেছে ৪৯টি গ্রামের স্বেচ্ছা পুনর্বাসনের ফলে, যার মাধ্যমে ১০,০০০ হেক্টরেরও বেশি এলাকা বনভূমির পুনরুদ্ধারের জন্য পাওয়া গেছে। এরপর এই অঞ্চলগুলিতে তৃণভূমি নতুন করে বানানো হয়েছে এবং এখানে জল সরবরাহ বাড়ানো হয়েছে।”

গ্রামগুলির পুনর্বাসনের ফলে গবাদি পশুর চড়ে বেড়ানো ও প্রাকৃতিক সম্পদের নষ্ট করার ব্যাপারটাও কমেছে, যার ফলে বন্যপ্রাণী ও গবাদি পশুর মধ্যে খাদ্যের জন্য প্রতিযোগিতা এবং রোগ সংক্রমণের ঝুঁকি হ্রাস পেয়েছে।


পড়ুন সাতপুরার উপরে প্রকাশিত ছোটগল্প: বনদেবী দেখেছি


প্রজাতি পুনরুদ্ধারের একটি মডেল?


সাতপুরায় বারাশিঙ্গার পুনঃপ্রবর্তনের এই উদ্যোগটি বোঝায়, কীভাবে সুচিন্তিত পদক্ষেপ নিয়ে বিপন্ন প্রজাতিকে বাঁচানো যেতে পারে। এই প্রকল্পে অনেক রকম কৌশল একত্রে প্রয়োগ করা হয়েছে—যেমন ধাপে ধাপে হরিণদের স্থানান্তর , হরিণের যোগ্য আবাসস্থল তৈরি করা, পশুচিকিৎসক দ্বারা নিয়মিত নজরদারি এবং অরণ্যে মুক্তির পর নিবিড় পর্যবেক্ষণ ।


দীর্ঘমেয়াদী সাফল্য নির্ভর করবে নিয়মিত ব্যবস্থাপনার উপর। প্রাণীগুলি যখন আরও বিস্তৃত খোলা অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়বে, তখন বাঘ, চিতাবাঘ ও ঢোলের শিকারের কারণে তাদের গতিবিধি ক্রমশ প্রভাবিত হবে। পাশাপাশি জলবায়ুর পরিবর্তনশীলতা, অরণ্যের আবাসস্থলের গুণমান এবং জিনগত বৈচিত্র্য —এসব বিষয়ও ভবিষ্যতে জনসংখ্যার উপর প্রভাব ফেলতে পারে।

তবুও এই গবেষণা দেখায় যে কোনো প্রজাতি যদি কোনো অঞ্চল থেকে হারিয়েও যায়, উপযুক্ত পরিস্থিতিতে তা আবার ফিরে আসতে পারে। নেহা আওয়াস্থি বলেন, “উপযুক্ত আবাসস্থল, সুরক্ষা এবং সতর্ক ব্যবস্থাপনা থাকলে, বহু দশক ধরে হারিয়ে যাওয়া প্রাণীকেও কোন জায়গায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব।”


“মধ্যপ্রদেশে সোয়াম্প ডিয়ার (বারাশিঙ্গা) স্থানান্তর কর্মসূচি প্রজাতিটির ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করার ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক একসময় এরা কেবল কানহা টাইগার রিজার্ভেই সীমাবদ্ধ ছিল এবং এই কারণে বিলুপ্তির ঝুঁকিতে ছিল,”—বলছিলেন বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ অনীশ অন্ধেরিয়া, Wildlife Conservation Trust-এর সভাপতি। তিনি যদিও এই গবেষণার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না।

তিনি আরও বলেন, “রোগ বা স্থানীয় অন্য বিপদের ঝুঁকি কমাতে সাতপুরা ও বান্ধবগড়ে পৃথক দু'টি গোষ্টীকে বাড়ানো হচ্ছে । ২০১৫ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে কানহা থেকে সাতপুরায় ১৩৫টি প্রাণী স্থানান্তর করা হয়েছে, যেখানে এখন জনসংখ্যা বেড়ে ৩০৩-এ পৌঁছেছে। অন্যদিকে, বান্ধবগড়ে সম্প্রতি ৪৮টি প্রাণী ছাড়া হয়েছিল এবং তা ইতিমধ্যেই বেড়ে ৬৪ হয়েছে—যা তাদের অভিযোজন, সফল প্রজনন এবং দীর্ঘমেয়াদে প্রজাতিগুলির পুনরুদ্ধারের আশা জোগাচ্ছে ।”




 মূল প্রবন্ধটি Mongabayপত্রিকায় প্রকাশিত। ইংলিশ প্রবন্ধটির অনুমতিক্রমে অনুবাদ করা হল বনেপাহাড়ের পাঠকদের জন্য। মূল প্রবন্ধটির লিঙ্ক: https://india.mongabay.com/2026/04/indias-rare-swamp-deer-establishes-a-second-home/


ছবি: বনেপাহাড়ে



Comments


Royal_Bengal_Tiger_Kanha.JPG

Editor: Dr. Sumanta Bhattacharya
 

  • Facebook

follow our facebook page to stay updated

© 2021 by Boney Pahare. All rights reserved.

bottom of page